বাংলার শেষ স্বাধীন নবাবা সিরাজুদ্দৌলার সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করে ইংরেজদের ক্ষমতায় বসতে সাহায্য করেছিল মীর জাফর।ইতিহাস সম্পর্কে যাদের নূন্যতম জ্ঞান আছে তারা মীর জাফরের চরিত্র সম্পর্কে কমবেশি অবগত।ইতিহাসবিদরা গবেষণা করে মীর জাফরের পরবর্তী দুই পুরুষ পর্যন্ত হদীস পেয়েছেন।দুই পুরুষ পর থেকে মীর জাফরের বংশধররা কোথায় হারিয়ে গেল তার কোন তথ্য নেই ইতিহাসবিদদের কাছে।ইতিহাসবিদরা এমনটা ধারণা করেন যে,হয়তোবা ডাইনোসর কিংবা ম্যামথের মত বিলুপ্ত হয়ে গেছে মীরজাফরের বংশধররা।কিন্তু ইতিহাসবিদদের ধারণাকে ভূল প্রমান করে বিষ্ময়কর এক তথ্য দিয়েছে আমাদের দৈনিক প্রথম-খালু পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টার সাংবাদিক লোকমান আলী।সাংবাদিক লোকমান প্রায় এক বৎসর যাবত এটা নিয়ে জরিপ করেন।তার জরিপের ফলাফল অনুযায়ী মীরজাফরের বংশধরদের একটা বড় অংশ নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ালেখা করছে।এই জরিপের সত্যতা নিশ্চিত করতে সাংবাদিক লোকমান একাধিক প্রমাণ উপস্থাপন করেন।যেমন,কোটা সংষ্কার আন্দোলনের সময় সর্বসম্মতিক্রমে ক্লাস বর্জনের সিদ্ধান্ত নিয়ে সবাই যখন বসুন্ধরা গেটে প্রতিবাদ মিছিল করেছে তখন বেশকিছু শিক্ষার্থী ক্লাসে বসে ক্লাস করেছে।অথচ এরাই প্রথম ফেসবুকে আন্দোলনের ডাক দিয়েছিল।এদেরকে আন্দোলরত শিক্ষার্থীরা "ড্রাগন" বলে অবহিত করলেও সাংবাদিক লোকমানের ভাষায় এরাই মীর জাফরের বংশধর।তাছাড়া কিছু কিছু শিক্ষার্থী মিড/ফাইনাল শেষে কাঁদ কাঁদ কন্ঠে "দোস্ত, পরিক্ষা একদম ভাল হয়নি;কাল সারারাত কিছুই পড়িনি;এবার নিশ্চিত ফেল" এই ধরনের বাণী উচ্চারিত করে।অথচ সাংবাদিক লোকমান প্রমাণ দেখিয়েছেন যে,ফেল ফেল করে নাকে কাঁদা এইসব পোলাপান সব কোর্ষে A গ্রেড পেয়েছে।লোকমানের সর্বশেষ উদাহরণে এটা বলা হয়েছে যে,মহামারী করোনা ভাইরাসের কারণে নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ সবার জন্য ২০% টিউশন ফি মওকুফ করে দিয়েছে।কিন্তু অনেক শিক্ষার্থী কর্তৃপক্ষের এমন সিদ্ধান্তকে সাধুবাধ না জানিয়ে বরং সেমিস্টার ড্রপ দেয়ার হুমকি দিয়ে প্রটেস্ট এর ডাক দিয়েছে।তারা ফেসবুকে বড় বড় প্রতিবাদী স্টাটাসও দিয়েছে।কিন্তু সাংবাদিক লোকমান খোজ নিয়ে দেখেছেন,সেমিস্টার ড্রপের হুমকি দেয়া সেই সকল নেতারা অন্য সেমিস্টারে ২-৩ টা কোর্ষ নিলেও এবার নিয়েছে ৫ টা।

2 Comments
Haha🤣
ReplyDeleteThis comment has been removed by the author.
ReplyDelete