১৭ মে থেকে শুরু হয়ে সগৌরবে চলতে থাকা জাতীয় অ্যাসাইনমেন্ট সপ্তাহ শেষ হচ্ছে আজ ৪ জুন, রাত ১১ঃ৫৯ মিনিটে।ঈদের আনন্দকে মাটি করে,করোনা ভীতিকে দূরে সরিয়ে দিয়ে পাহাড় সমান অ্যাসাইনমেন্ট শেষ করেছে নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।অনেকে ইতমধ্যে অ্যাসাইনমেন্ট সাবমিটও করে দিয়েছে।এই অনেকের মধ্যে অন্যতম একজন নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের বায়োকেমিস্ট্রি & মাইক্রোবায়োলজি অনুষদের শিক্ষার্থী মোঃ মাহির।মোঃ মাহির আজ সন্ধ্যা ৭ঃ৩০ মিনিটে তার অ্যাসাইনমেন্ট ফ্যাকাল্টিকে সাবমিট করে দেয়।এর কিছুক্ষণ পরেই মাহিরের বান্ধবী ও কোর্সমেট ছকিনা খাতুন তার অ্যাসাইনমেন্টে Plagiarism এর ( %) জানতে চায়।এই কথা শোনার পর মাহির যেন আকাশ থেকে পড়ে।Plagiarism ! সেটা আবার কি?প্রতিউত্তরে ছকিনা খাতুন মাহিরকে Plagiarism নিয়ে বিস্তারিত জানায়।এরপর ছকিনা কতৃক প্রদত্ত Grammarly এর লিংকে ক্লিক করে মাহির নিজের ফাইল আপলোড করে Plagiarism চেক করার জন্য।কিন্তু বিশ্বাস করেন রাসেল ভাই,এরপর মাহির যা দেখে তা দেখার জন্য সে মোটেই প্রস্তুত ছিল না। তার লেখার ৯৯% Plagiarism ডিটেক্ট হয়।কিন্তু অ্যাসাইনমেন্ট তো অলরেডি সাবমিট করা হয়ে গেছে এখন আর কিছু করার নেই এটা ভেবেই মাহির ঘটনাস্থলে জ্ঞান হারায়।পরবর্তীতে জ্ঞান না ফিরলে এয়ার অ্যাম্বুলেন্স যোগে তাকে রাজধানীর কুর্মিটোলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত তার অবস্থা আশঙ্কাজনক।ওদিকে এই ঘটনায় গঠিত তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি তাদের প্রতিবেদনে জানিয়েছে,মাহিররের লেখায় ৯৯% Plagiarism ডিটেক্ট হলেও বাকি ১% ছিল ইউনিক জিনিষ।"কি সেই ইউনিক জিনিষ?”সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে তদন্ত কমিটি জানান,ঐ ১ % ছিল মোঃ মাহিরের নাম,আই.ডি নং,সেকশন ও কোর্সের নাম।

0 Comments