১লা অক্টোবর থেকে মহাসমারোহে শুরু হয়েছে নসু সামার-২০ সেমিস্টারের ফাইনাল পরিক্ষা।ফাইনাল পরিক্ষা নিয়ে কতৃপক্ষ অনেক নিয়ম-কানুন জারি করেছে।যেমন,ল্যাপটপে পরিক্ষা দেয়া,পরিক্ষা চলাকালীন ক্যামেরা অন রাখা,পরিক্ষায় অসদুপায় অবলম্বন না করা ইত্যাদি।পাশাপাশি আরেকটা নিয়ম জারি করা হয়ে সেটি হচ্ছে,পরিক্ষা চলাকালীন আসন ছেড়ে ওঠা যাবে না,এমনকি টয়লেটেও যাওয়া যাবে না।এখানেই বেধে গেছে বিপত্তি।CSC ডিপার্টমেন্টের ৭ম সেমিস্টারের ছাত্র গোলাম রব্বানী ওরফে টিকটক সজীব দীর্ঘদিন যাবত ডায়াবেটিসে ভুগছেন।তার ৩০ মিনিট পর পর টয়লেটে যাওয়া লাগে।কতৃপক্ষের আরোপকৃত সব নিয়ম এক বাক্য মেনে নিলেও এই ব্যাপরটা মানতে পারছিল না সজীব।চিন্তায় চিন্তায় যখন খাওয়া-ঘুম চলে যাওয়ার উপক্রম তখন চমকপ্রদ এক আইডিয়া দিল তার বন্ধু নলা ছাব্বির।নলা ছাব্বিরের কথা মত সজীব বাসায় ২ বছরের ছোট বোনের প্যাম্পার্স প্যান্টের ভিতরে পরে বসে গেলেন ফাইনাল পরিক্ষা দিতে।পুরো ১.৫ ঘন্টা নিরবিচ্ছিন্ন ইন্টারনেটের মত নিরবিচ্ছিন্নভাবে এক জায়গায় বসেই পরিক্ষা শেষ করলেন তিনি।এই ১.৫ ঘন্টায় প্যাম্পার্সের কল্যানে তিনি ৩ বার মূত্র বিসর্জন সেরেছেন চেয়ারে বসেই।একটু চালাক না হলে আসলে এই জগতে টেকা কঠিন।

0 Comments